মোঃ আতিকুর গোলদার, খুলনাঃ-
মাদকের বিরুদ্ধে একের পর এক অভিযান, খুলনা শহর সহ সারা বাংলাদেশ ব্যাপক কড়া পাহারা, কোটি কোটি টাকার চালান জব্দ, তবুও থামছে না ইয়াবা-আইসের স্রোত। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে ধরা পড়ছে বাহক, মাঝেমধ্যে মধ্যম স্তরের কারবারিও। বরাবরের মতো সাপ্লাই দিচ্ছে ইয়াবা ধরাছোঁয়ার বাইরে থেকে যাচ্ছে মাদক সিন্ডিকেটের গডফাদার, ডিলার ও মূল মাফিয়ারা। থেকে যাচ্ছে ধরাছোঁয়ার বাইরে ইয়াবা-আইস ঢুকছে বানের পানির মতো। আর দেশজুড়ে বিস্তার ঘটছে ভয়ংকর এক মাদক সাম্রাজ্যের।
সংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, ইয়াবা ও আইসসহ বিভিন্ন মাদক মিলিয়ে প্রতিবছর প্রায় ৮০ হাজার কোটি টাকার মাদক বাংলাদেশে প্রবেশ করছে। এই বিপুল অর্থ এখন শুধু মাদক ব্যবসার মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই, বরং গড়ে তুলেছে ভয়ংকর এক ‘নার্কো ইকোনমি’। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা মূলত চালানের ১০ থেকে ২০ শতাংশ মাত্র জব্দ করতে সক্ষম হচ্ছেন।
বাকিরা ধরাছোঁয়ার বাইরে থেকে যাচ্ছে একপর্যায়ে তা ব্যাঙের ছাতার মতো বেড়ে উঠেছে এখন পৌঁছেছে। বিভিন্ন এলাকায় এলাকায় সবচেয়ে বেশি ইয়াবা পাচার হচ্ছে তুলে দেওয়া হচ্ছে এলাকার ১৫ থেকে ১৮ বছর বয়সের ছেলেদের হাতে যুবসমাজ ধ্বংসের কারণ হচ্ছে বিভিন্ন ইউনিয়নের আওয়ামী লীগ ও রহস্যজনক নিরবতায় নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগ ও আওয়ামীলীগের পুনর্বাসন বাড়ছে। ক্ষোভে ফুঁসছে জনগণ।
খুলনা বটিয়াঘাটা উপজেলায় চার নম্বর সুরখালী ইউনিয়নের সাম্প্রতিক সময়ে ও রাজনৈতিক কার্যক্রম নিয়ে জনমনে বাড়ছে ক্ষোভ। স্থানীয়দের অভিযোগ, এলাকায় কিছু মাদক সেন্টিগ্রেড নতুন আমদানি হয়েছে। আওয়ামী লীগের তৎপরতা কম থাকায় পূর্বে এলাকা ছেড়ে যাওয়া ও পালিয়ে যাওয়া আওয়ামীলীগের নেতাকর্মীরা পুনরায় সক্রিয় হওয়ার চেষ্টা করছে।
৫ই আগস্ট পরে সারাদেশের মতো বটিয়াঘাটা উপজেলায় নির্যাতনকারী আওয়ামীলীগের পদধারী চিহ্নিত প্রভাবশালী নেতাকর্মীরা এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যায়। এতে সাধারণ মানুষের ভিতরে স্বস্তি ফিরে এসেছিলো। কিন্তু বর্তমান সময়ে রহস্যজনক নিরবতায় আওয়ামীলীগের পালিয়ে যাওয়া নেতাকর্মীদের মধ্যে কেউ কেউ এলাকায় ফিরে আবারো সক্রীয় হওয়ার চেষ্টা করছেন।
অনেকেই আবার এলাকায় ফিরে এখনো তাদের আওয়ামীলীগ রাজনীতির কার্যক্রম চালু রেখে ফেসবুকে পোস্টও করছেন। আবার কেউ এলাকায় ফিরে জড়িয়ে পড়েছে মাদক ব্যবসা। ইতিমধ্যে চার নাম্বার সুরখালি ইউনিয়নের আওয়ামীলীগের নেতাকর্মীরা এলাকায় ফিরে এসেছে। স্থানীয়দের অভিযোগ এলাকায় মাদক সিন্ডিকেট বেড়েছে ব্যাপক। এ পরিস্থিতিতে স্থানীয় জনগণ মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সহযোগিতা কামনা করছে ও পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন।
এলাকায় গড়ে উঠেছে ইয়াবা ডিলার বাহিনী তদন্তসংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, যায় বিভিন্ন অঞ্চলে সাপ্লাই দেওয়া হচ্ছে ইয়াবা বাহক ভাবে গডফাদার থাকে আড়ালে তারা টাকার বিনিময়ে ইয়াবা সাপ্লাই দিয়ে বেড়াচ্ছে।
আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর চোখ ফাঁকি দিয়ে ছড়িয়ে পরেছে মাদকের সাম্রাজ্যের মূল হোতারা। আবার কেউ কেউ মনে করে আইন শৃঙ্খলা বাহিনীকে হাত করে চালিয়ে যাচ্ছে মাদকের রমরমা বানিজ্য। এরকম চলতে থাকলে আবারও মাদকের সাম্রাজ্যে পরিনত হবে খুলনা জেলাসহ সারা বাংলাদেশে।
স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ মনে করেন, আইন শৃঙ্খলা বাহিনী সঠিক ভাবে পদক্ষেপ না নিলে মাদকের ভয়াবহ অবস্থা রূপ নিবেন সারা বাংলাদেশে। তাই মাদকের বিরুদ্ধে আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর জোরদার হওয়া খুবই গুরুত্বপূর্ণ বর্তমান পরিস্থিতিতে।