মোসলেহউদ্দিন বাহার, চট্টগ্রামঃ-

চট্টগ্রাম নগরীর ইপিজেড থানার ৩৯ নং ওয়ার্ডস্থ চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের আওতাধীন বন্দর ডক শ্রমিক আবাসিক কলোনি জামে মসজিদের ইমাম ও খতিব হাফেজ মাওলানা মাহমুদুল হাসানকে বহাল রাখা, তাঁর বিরুদ্ধে কথিত অপপ্রচার – মিথ্যাচার ও কুৎসা রটনার প্রতিবাদ মসজিদের মুয়াজ্জিন শহিদুল্লাহর বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগের তদন্ত ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিতে মানববন্ধন।
বুধবার (১ জুলাই) বিকেলে মসজিদ প্রাঙ্গণে এ মানববন্ধনে স্থানীয় এলাকাবাসী – পঞ্চায়েত মুসল্লি ও বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষ অংশগ্রহণ করেন।
মানববন্ধনে উপস্থিত প্রতিবাদী বক্তব্য রাখেন হাফেজ মাওলানা মাহমুদুল হাসান, মেহেদী হাসান হৃদয়, নিয়মিত মুসল্লি মোঃ টিপু সুলতান, মোঃ রিপন, প্রবীণ মুসুল্লি নসূ মিয়া, আব্দুল রহমান জামি, সমাজসেবক ও শিক্ষাবিদ সংগঠক শহিদুল ইসলাম, শিক্ষা সংগঠক অলি উল্লাহ সহ পঞ্চায়েত মুসল্লি পরিযদের অনেকেই উপস্থিত ছিলেন।
মানববন্ধনে হাফেজ মাওলানা মাহমুদুল হাসান বলেন, কিছু কুচক্রী মহল পরিকল্পিতভাবে আমার ও আমার পরিবারের সম্মানহানি এবং সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করার উদ্দেশ্যে মিথ্যা অপপ্রচার চালাচ্ছে। গত ২৬ জুন জুমার নামাজের আগে বন্দর কর্তৃপক্ষের গঠিত চার সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি সদস্য বি‌শিষ্ট একটা ক‌মি‌টি ইমাম সা‌হে‌বের বিষ‌য়ে জুমার নামাযে উপ‌স্থিত মুসল্লিদের মতামত গ্রহণ করে। যে ক‌মি‌টি‌তে বন্দর কর্তৃপ‌ক্ষের উপ স‌চিব (জনসং‌যোগ) না‌হিদ মোস্তফা এবং সি‌নিয়র পা‌র্সো‌নাল অ‌ফিসার হা‌বিব রসুল সা‌হেব নেতৃত্ব দেন।

উপস্থিত মুসল্লিরা আমার প্রতি তাদের সর্বাত্মক সমর্থন প্রকাশ করেন এবং তদন্ত কমিটি বিষয়টি ভিডিও ধারণ করে কর্তৃপক্ষের কাছে প্রতিবেদন জমা দেয়। পরদিন শ‌নিবার মুয়া‌জ্জিন শ‌হিদুল্লাহ কিছু ছিন্নমূল ও ভাসমান লোক ভাড়া ক‌রে এবং ভূমিদস্যু জালাল গংরা আমাদের পরিবারের প্রতি আক্রোশ বশত মিথ্যা ও ভিত্তিহীন অ‌ভি‌যো‌গে মানববন্ধন করে সম্মান হানি ঘটানোর অপচেষ্টা চালাচ্ছে। এই ভুমি দস্যুদের গং জালাল মসজিদের মোয়াজ্জেম শহীদুল্লাহ ইমাম মাহামুদুল হাসান কে নিয়োগ থেকে বঞ্চিত করা সহ চরম ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করার চেষ্টা অব্যাহত রেখেছে ।
মুসল্লি পরিষদের নেতৃবৃন্দরা ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত এবং দোষীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানাচ্ছি।