• মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১০:৩৬ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ
চর বিশ্বাস ইউনিয়নের আগামীর ভাবনা: চেয়ারম্যান প্রার্থী আলহাজ্ব আমজাদ হোসেন গাজীকে ঘিরে প্রত্যাশা আলিমে সাফল্যের শীর্ষে দারুননাজাত সিদ্দিকিয়া কামিল মাদ্রাসা, জিপিএ-৫ পেয়েছে ৫৯২ শিক্ষার্থী খাদ্যমন্ত্রী আফরোজা খানম রিতার পক্ষে অসহায় পরিবারের পাশে ইয়ুথ ড্রিম, খাদ্যসামগ্রী ও শিক্ষা উপকরণ বিতরণ সাংবাদিক আজমির হোসেন তালুকদারের বাসায় প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্য বিষয়ক বিশেষ সহকারী ডা. জিয়াউদ্দিন হায়দার সাংবাদিকদের নিয়ে চিকিৎসকের অবমাননাকর মন্তব্যের প্রতিবাদ বিএমএসএফের সিআইডি পুলিশের স্ত্রীর মামলায় বিএমএসএফের আইনজীবীরা ৩ সাংবাদিকের জামিন দেশে পরিকল্পিত সন্ত্রাস ও নৈরাজ্যের মাধ্যমে অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্র করলে জবাব দিবে বিএনপি: ইসরাফিল খসরু নেত্রকোনায় সাংবাদিক আলিফকে গুলি করে হত্যা শোক ও প্রতিবাদ: বিএমএসএফের মা ইলিশ সংরক্ষণে বিভিন্ন সমূদ্র উপকূল সাগরে নৌবাহিনীর অভিযান অব্যাহত খাদ্য সংরক্ষণে সক্ষমতা বাড়ানোর আহ্বান খাদ্যমন্ত্রী: আফরোজা খানম এমপি 

সংবাদ সংগ্রহে হামলার শিকার গণমাধ্যম কর্মী-মোবাইল ছিনিয়ে নিয়ে তথ্য ও মেমোরি কার্ড গায়েব

প্রতিনিধির নাম / ২১৭ Time View
Update : বুধবার, ২৪ জুন, ২০২৬

৩৫২

বিশেষ প্রতিনিধি, চট্টগ্রামঃ-

চট্টগ্রামের পতেঙ্গায় একটি কথিত আত্মহত্যার ঘটনার সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে হামলার শিকার হওয়ার অভিযোগ করেছেন সাংবাদিক মো. শাহরিয়ার রিপন। এ ঘটনায় তিনি পতেঙ্গা মডেল থানায় ২৩শে জুন লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। তবে হামলার অভিযোগের পাশাপাশি তার মোবাইল ফোনের তথ্য মুছে ফেলা এবং ক্যামেরার মেমোরি কার্ড নিখোঁজ হওয়ার ঘটনাকে ঘিরে নতুন করে নানা প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত ২২ জুন রাত আনুমানিক ১০টা ৩০ মিনিটে পতেঙ্গার বিজয়নগর এলাকায় শাহজাহান (৫৫) নামে এক ব্যক্তি গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন এমন সংবাদ পেয়ে ঘটনাস্থলে যান সাংবাদিক শাহরিয়ার রিপন। সংবাদ সংগ্রহের উদ্দেশ্যে তিনি রাত ১১টার দিকে সেখানে পৌঁছে তথ্য সংগ্রহ ও ভিডিও ধারণ শুরু করেন।

লিখিত অভিযোগে বলা হয়েছে, ঘটনাস্থলে উপস্থিত কয়েকজন ব্যক্তি তার পরিচয় ও ভিডিও ধারণ নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে সংবাদ সংগ্রহের বিষয়টি ব্যাখ্যা করলেও একপর্যায়ে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। অভিযোগ অনুযায়ী, মো. ইলিয়াস, তার ছেলে মো. শুভ এবং আরও ২০ থেকে ৩০ জন অজ্ঞাতনামা ব্যক্তি সাংবাদিকের ওপর হামলা চালান। তাকে মারধর করার পাশাপাশি তার ব্যবহৃত মিনি ক্যামেরা, মোবাইল ফোন ও পরিচয়পত্র নিয়ে নেওয়া হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, পরে পুলিশি সহায়তায় মোবাইল ফোন ও ক্যামেরা ফেরত পাওয়া গেলেও ক্যামেরার মেমোরি কার্ড আর পাওয়া যায়নি। একই সঙ্গে মোবাইল ফোনের সংরক্ষিত তথ্যও মুছে ফেলা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী সাংবাদিক।

এখানেই দেখা দিয়েছে সবচেয়ে বড় প্রশ্ন। একজন সংবাদকর্মীর মোবাইল ফোন থেকে তথ্য মুছে ফেলার প্রয়োজন কেন হলো। ক্যামেরার মেমোরি কার্ডই বা কোথায় গেল, সেই মেমোরি কার্ডে এমন কী তথ্য, ছবি বা ভিডিও ধারণ করা ছিল, যা কারও জন্য অস্বস্তিকর বা বিব্রতকর হতে পারত।

সংশ্লিষ্ট মহলের মতে, যদি ঘটনাটি কেবল একটি সাধারণ আত্মহত্যার ঘটনা হয়ে থাকে, তাহলে সংবাদ সংগ্রহে আসা একজন সাংবাদিকের ওপর হামলা এবং তার তথ্য ধারণের সরঞ্জামের ডাটা গায়েব হয়ে যাওয়ার অভিযোগ অত্যন্ত উদ্বেগজনক।

এতে স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠছে সংবাদ সংগ্রহের সময় কি সাংবাদিক এমন কোনো তথ্য বা দৃশ্যের সন্ধান পেয়েছিলেন, যা প্রকাশ পেলে ঘটনার ভিন্ন কোনো দিক সামনে আসতে পারত।

এ ঘটনায় শুধু সাংবাদিক নির্যাতনের অভিযোগ নয়, সম্ভাব্য তথ্য-প্রমাণ নষ্ট করার অভিযোগও সামনে এসেছে। ফলে বিষয়টি এখন আর কেবল হামলার অভিযোগের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই; বরং পুরো ঘটনার প্রকৃত রহস্য উদঘাটনের স্বার্থে নিরপেক্ষ, স্বচ্ছ ও গভীর তদন্তের দাবি জোরালো হয়ে উঠেছে।

স্থানীয় সাংবাদিক মহল ও সচেতন নাগরিকদের প্রশ্ন এটি কি সত্যিই একটি আত্মহত্যার ঘটনা, নাকি এর আড়ালে অন্য কোনো রহস্য লুকিয়ে আছে। সাংবাদিকের মোবাইলের তথ্য মুছে ফেলা এবং মেমোরি কার্ড নিখোঁজ হওয়ার অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্তই পারে সেই প্রশ্নের উত্তর দিতে।

এ বিষয়ে ভুক্তভোগী সাংবাদিক আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন। একই সঙ্গে ঘটনার প্রকৃত সত্য উদঘাটনে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত ও কার্যকর তদন্ত কামনা করেছেন সাংবাদিক সমাজ।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd