• রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ০৪:২৩ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ
চর বিশ্বাস ইউনিয়নের আগামীর ভাবনা: চেয়ারম্যান প্রার্থী আলহাজ্ব আমজাদ হোসেন গাজীকে ঘিরে প্রত্যাশা আলিমে সাফল্যের শীর্ষে দারুননাজাত সিদ্দিকিয়া কামিল মাদ্রাসা, জিপিএ-৫ পেয়েছে ৫৯২ শিক্ষার্থী খাদ্যমন্ত্রী আফরোজা খানম রিতার পক্ষে অসহায় পরিবারের পাশে ইয়ুথ ড্রিম, খাদ্যসামগ্রী ও শিক্ষা উপকরণ বিতরণ সাংবাদিক আজমির হোসেন তালুকদারের বাসায় প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্য বিষয়ক বিশেষ সহকারী ডা. জিয়াউদ্দিন হায়দার সাংবাদিকদের নিয়ে চিকিৎসকের অবমাননাকর মন্তব্যের প্রতিবাদ বিএমএসএফের সিআইডি পুলিশের স্ত্রীর মামলায় বিএমএসএফের আইনজীবীরা ৩ সাংবাদিকের জামিন দেশে পরিকল্পিত সন্ত্রাস ও নৈরাজ্যের মাধ্যমে অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্র করলে জবাব দিবে বিএনপি: ইসরাফিল খসরু নেত্রকোনায় সাংবাদিক আলিফকে গুলি করে হত্যা শোক ও প্রতিবাদ: বিএমএসএফের মা ইলিশ সংরক্ষণে বিভিন্ন সমূদ্র উপকূল সাগরে নৌবাহিনীর অভিযান অব্যাহত খাদ্য সংরক্ষণে সক্ষমতা বাড়ানোর আহ্বান খাদ্যমন্ত্রী: আফরোজা খানম এমপি 

গলাচিপা উপজেলায় জরাজীর্ণ ও বেহাল দশা দক্ষিণ চর আগস্তী দাখিল মাদ্রাসা

প্রতিনিধির নাম / ২৮৫ Time View
Update : শনিবার, ১১ জুলাই, ২০২৬

৩৭৯

মোঃ নিজাম উদ্দিন, গলাচিপাঃ-

——————————————-

পটুয়াখালী জেলার গলাচিপা উপজেলার ১২ নং চর বিশ্বাস ইউনিয়নে অবস্থিত দক্ষিণ চর আগস্তী দাখিল মাদ্রাসা। গলাচিপা উপজেলা শহর থেকে বিছিন্ন দ্বীপ ও চরের খেটে খাওয়া সরল সহজ প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর সন্তানেরা শিক্ষা থেকে পিছিয়ে থাকার কারণে মরহুম মোঃ লুৎফর রহমান গাজী প্রতিষ্ঠা করেন দক্ষিণ চর আগস্তী দাখিল মাদ্রাসা। ১৯৯৯ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়ে সুনামের সাথে শিক্ষা কার্যক্রম চালিয়ে আসছে এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। শিশু শ্রেণি থেকে দাখিল পর্যন্ত পাঠদান করানো হয় এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে।

২০২২-২৩ অর্থ বছরে এমপি ভুক্ত হয় মাদ্রাসাটি। বর্তমানে মাদ্রাসায় প্রায় ৩৭০ জন কোমলমতি শিক্ষার্থী রয়েছে। বিগত সালে দাখিল পরীক্ষার ফলাফল সন্তোষ জনক হলেও নেই কোন সুন্দর পরিবেশে পাঠদানের ব্যবস্থা।
২৭ বছরের পুরনো জরাজীর্ণ টিনের ঘরটি পরিত্যক্ত অবস্থায় দাঁড়িয়ে শিক্ষা কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। বিগত সরকারের আমলে নেই কোন অনুদান। দুঃখের বিষয় হলো গলাচিপা উপজেলায় এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটি সবচেয়ে বেশি অবকাঠামোগত সমস্যায় জর্জরিত। মরিচা ধরা নড়বড় টিনের চালা আর জোড়াতালি ভাঙাচোরা বেড়ার নিচে চলছে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের শিক্ষা কার্যক্রম।

বর্ষা ও দুর্যোগপূর্ন ঝড়-তুফানের দিনে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলছে দৈনন্দিন শিক্ষা কার্যক্রম। বৃষ্টির দিনে মরিচা ধরা টিনের চালা চুইয়ে পানি পরে ভিজে যায় কোমলমতি শিক্ষার্থীদের বই-খাতা। চরাঞ্চলের এই পিছিয়ে পড়া শিক্ষার্থীদের মানসম্মত ও নিরাপদ শিক্ষার অধিকার আজ চরম ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত ও হুমকির মুখে।

স্থানীয় ও সংশ্লিষ্ট শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকদের দাবি, উক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের উন্নত ও নিরাপদ ভবনের প্রয়োজন। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জরুরি হস্তক্ষেপের জোর দাবি জানান শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd