• সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ০৫:২৮ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ
চর বিশ্বাস ইউনিয়নের আগামীর ভাবনা: চেয়ারম্যান প্রার্থী আলহাজ্ব আমজাদ হোসেন গাজীকে ঘিরে প্রত্যাশা আলিমে সাফল্যের শীর্ষে দারুননাজাত সিদ্দিকিয়া কামিল মাদ্রাসা, জিপিএ-৫ পেয়েছে ৫৯২ শিক্ষার্থী খাদ্যমন্ত্রী আফরোজা খানম রিতার পক্ষে অসহায় পরিবারের পাশে ইয়ুথ ড্রিম, খাদ্যসামগ্রী ও শিক্ষা উপকরণ বিতরণ সাংবাদিক আজমির হোসেন তালুকদারের বাসায় প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্য বিষয়ক বিশেষ সহকারী ডা. জিয়াউদ্দিন হায়দার সাংবাদিকদের নিয়ে চিকিৎসকের অবমাননাকর মন্তব্যের প্রতিবাদ বিএমএসএফের সিআইডি পুলিশের স্ত্রীর মামলায় বিএমএসএফের আইনজীবীরা ৩ সাংবাদিকের জামিন দেশে পরিকল্পিত সন্ত্রাস ও নৈরাজ্যের মাধ্যমে অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্র করলে জবাব দিবে বিএনপি: ইসরাফিল খসরু নেত্রকোনায় সাংবাদিক আলিফকে গুলি করে হত্যা শোক ও প্রতিবাদ: বিএমএসএফের মা ইলিশ সংরক্ষণে বিভিন্ন সমূদ্র উপকূল সাগরে নৌবাহিনীর অভিযান অব্যাহত খাদ্য সংরক্ষণে সক্ষমতা বাড়ানোর আহ্বান খাদ্যমন্ত্রী: আফরোজা খানম এমপি 

জোরপূর্বক জমি দখলের চেষ্টা, বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন

প্রতিনিধির নাম / ৩৩৬ Time View
Update : মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট, ২০২৬

৩৯৯

খুলনা জেলা প্রতিনিধিঃ-

খুলনার তেরখাদায় ওয়ারিশসূত্রে প্রাপ্ত ও নামজারি/মিউটেশনকৃত জমিতে অবৈধ মালিকানা দাবি, দখলচেষ্টা ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন ভুক্তভোগী পরিবার।

১৮ আগস্ট সোমবার খুলনায় এক সংবাদ সম্মেলন ও প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে অভিযোগ করেন, তেরখাদার বাসিন্দা মৃত সন্তোষ কুমার পাত্রের ছেলে লন্ডন প্রবাসী এ্যাড. পলাশ কুমার পাত্র।

প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, বিরোধীয় জমিটি তেরখাদা মৌজার জে.এল. নং- ২১, বি.আর.এস.দাগ নং- ১১৮৬, জমির পরিমাণ- ১৬ শতক। ভুক্তভোগীর দাবি অনুযায়ী, জমিটি তার দাদু মৃত নিশি কান্ত রায়ের ওয়ারিশসূত্রে প্রাপ্ত এবং দীর্ঘদিন ধরে তারা ভোগদখলে রয়েছেন। সরকারি বিধি অনুযায়ী জমিটি তাদের নামে নামজারি/মিউটেশনও করা হয়েছে।

যার নামজারি কেস নং- ৯২৬০৯৩৬। তারা শত বছর যাবৎ নিয়মিত ভূমি উন্নয়ন কর পরিশোধ করে আসছেন বলেও জানান।

পলাশ কুমার পাত্রের অভিযোগ, তেরখাদা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব এফ. এম. হাবিবুর রহমান, ওই জমির ওপর মালিকানা দাবি করে চাপ সৃষ্টি ও ভয়ভীতি প্রদর্শন করছেন।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ২৭/০৭/২০২৬ তারিখে ধারা ১৫০-সংক্রান্ত একটি মামলা/কার্যক্রমের মাধ্যমে তাদের নামজারি বাতিলের উদ্যোগ নেওয়া হয়। এর প্রেক্ষিতে ১৮ আগস্ট সকাল ১১টায় শুনানিতে অংশ নিতে তেরখাদা ভূমি অফিসে গেলে সেখানে এফ. এম. হাবিবুর রহমান ৩০/৪০ জন লোকসহ উপস্থিত হয়ে উত্তেজনাকর পরিস্থিতি সৃষ্টি করেন বলে এর অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী। একই সময়ে তাদের নামজারি সংক্রান্ত কার্যক্রম স্থগিত রাখা হয়েছে বলে তারা জানতে পারেন, তবে স্থগিতাদেশের লিখিত কারণ সম্পর্কে তারা এখনও অবগত নন।

ভুক্তভোগী আরও জানান, উক্ত সম্পত্তি নিয়ে পূর্বেও বিরোধ সৃষ্টি হয়েছিল। খুলনা যুগ্ম জেলা জজ ২য় আদালতের একটি মামলায় ০১/০৭/২০০৩ তারিখে তাদের পক্ষে রায় প্রদান করা হয় এবং দেওয়ানি জারি মামলা নং- ২/০৩ এর মাধ্যমে দখল সংক্রান্ত কার্যক্রম সম্পন্ন হয়। এ সংক্রান্ত রায়, ওয়ারিশ সনদ, খাজনার রশিদসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র তাদের কাছে সংরক্ষিত আছে।

প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে ভুক্তভোগী কয়েকটি প্রশ্ন উত্থাপন করে নিরপেক্ষ তদন্ত দাবি করেছেন। তিনি খুলনা জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, তেরখাদা উপজেলা প্রশাসন, সাংবাদিক বৃন্দ ও ভূমি অফিসের কাছে ৫ দফা দাবি জানিয়েছেন-

১. সকল দলিল, রেকর্ড ও আদালতের রায় যাচাই করে নিরপেক্ষ তদন্ত করা।
২. নামজারি স্থগিতের লিখিত কারণ ও আইনগত ভিত্তি জানানো।
৩. ভয়ভীতি ও অবৈধ দখলচেষ্টা বন্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ।
৪. পরিবারের জান-মালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।
৫. বৈধ কাগজপত্রের ভিত্তিতে আইনসম্মত নিষ্পত্তি করা।

এ বিষয়ে জানতে অভিযুক্ত এফ. এম. হাবিবুর রহমানের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তেরখাদা ভূমি অফিস সূত্রে জানা গেছে, বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd