• রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ০৩:৪৪ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ
আলিমে সাফল্যের শীর্ষে দারুননাজাত সিদ্দিকিয়া কামিল মাদ্রাসা, জিপিএ-৫ পেয়েছে ৫৯২ শিক্ষার্থী খাদ্যমন্ত্রী আফরোজা খানম রিতার পক্ষে অসহায় পরিবারের পাশে ইয়ুথ ড্রিম, খাদ্যসামগ্রী ও শিক্ষা উপকরণ বিতরণ সাংবাদিক আজমির হোসেন তালুকদারের বাসায় প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্য বিষয়ক বিশেষ সহকারী ডা. জিয়াউদ্দিন হায়দার সাংবাদিকদের নিয়ে চিকিৎসকের অবমাননাকর মন্তব্যের প্রতিবাদ বিএমএসএফের সিআইডি পুলিশের স্ত্রীর মামলায় বিএমএসএফের আইনজীবীরা ৩ সাংবাদিকের জামিন দেশে পরিকল্পিত সন্ত্রাস ও নৈরাজ্যের মাধ্যমে অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্র করলে জবাব দিবে বিএনপি: ইসরাফিল খসরু নেত্রকোনায় সাংবাদিক আলিফকে গুলি করে হত্যা শোক ও প্রতিবাদ: বিএমএসএফের মা ইলিশ সংরক্ষণে বিভিন্ন সমূদ্র উপকূল সাগরে নৌবাহিনীর অভিযান অব্যাহত খাদ্য সংরক্ষণে সক্ষমতা বাড়ানোর আহ্বান খাদ্যমন্ত্রী: আফরোজা খানম এমপি  সুন্দরবনকে দস্যুমুক্ত ও নিরাপদ রাখতে এসআরবি-৬ এর অভিযান আলিফ বাহিনীর ১৫ জন আত্মসমর্পণ

গল্লামারি-বটিয়াঘাটা সড়কের বেহাল দশা, দুর্ভোগে হাজারো মানুষ

প্রতিনিধির নাম / ৮৯ Time View
Update : মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

১৫৩

মোঃ আতিকুর গোলদার, খুলনাঃ-

খুলনার অন্যতম ব্যস্ততম এলাকা গল্লামারি। শহরের সঙ্গে বটিয়াঘাটা ও আশপাশের এলাকার যোগাযোগের গুরুত্বপূর্ণ এই সড়কটি দীর্ঘদিন ধরে বেহাল অবস্থায় পড়ে আছে। খানাখন্দ, ভাঙাচোরা ও ঝুঁকিপূর্ণ সড়কে প্রতিদিনই চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন পথচারী, শিক্ষার্থী, যাত্রী ও যানবাহন চালকরা।

গল্লামারি থেকে বটিয়াঘাটার দিকে যাওয়ার এই প্রধান সড়কটি অনেক বছর ধরেই চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। সামান্য বৃষ্টি হলেই সড়কের বিভিন্ন অংশে পানি জমে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে ওঠে। বড় বড় গর্ত এড়িয়ে যানবাহন চলাচল করতে গিয়ে প্রায়ই তৈরি হচ্ছে দুর্ঘটনার ঝুঁকি।

স্থানীয়দের অভিযোগ, গুরুত্বপূর্ণ এই সড়ক দিয়ে প্রতিদিন বিপুলসংখ্যক মানুষ খুলনা শহর, বটিয়াঘাটা ও আশপাশের এলাকায় যাতায়াত করেন। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে সড়কটির সংস্কার না হওয়ায় দুর্ভোগ যেন নিত্যসঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিশেষ করে মোটরসাইকেল ও ইজিবাইক চালকদের ঝুঁকি সবচেয়ে বেশি।

একজন স্থানীয় বাসিন্দা বলেন, “এই রাস্তা দিয়ে চলাচল করা যেন এক আজন্ম পাপের মতো। প্রতিদিনই ভয় নিয়ে চলতে হয়—কখন দুর্ঘটনা ঘটে, বলা যায় না।”

স্থানীয়দের ভাষ্য, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বিভিন্ন সময় সড়কটি পরিদর্শন করলেও স্থায়ী কোনো সমাধান হয়নি। ফলে ক্ষোভ ও হতাশা বাড়ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে।

গল্লামারি একটি গুরুত্বপূর্ণ সংযোগস্থল হওয়ায় এখানকার সড়কব্যবস্থা স্বাভাবিক রাখা অত্যন্ত জরুরি। দ্রুত কার্যকর উদ্যোগ নিয়ে সড়কটি সংস্কার ও নিরাপদ চলাচলের উপযোগী করার দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা।

এখন সাধারণ মানুষের একটাই প্রশ্ন—আর কতদিন এই দুর্ভোগ? কবে হবে গল্লামারি-বটিয়াঘাটা সড়কের এই বেহাল দশার অবসান? কবে মিলবে এই ‘পাপ’ থেকে মুক্তি?


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd