• রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:৪৮ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ
শহীদ জিয়া ও খালেদা জিয়া স্মৃতি আন্তঃ স্কুল ফুটবলঃ কোয়াটার ফাইনালে মাইজপাড়া মাহমুদুন্নবী ও পাঠানটুলী শরণখোলার উন্নয়ন, সম্প্রীতি ও গণমানুষের অধিকার আদায়ে অদম্য অগ্রপথিক মানিক ফিজিওথেরাপি সেবার মানোন্নয়ন ও বাংলাদেশ রিহ্যাবিলিটেশন কাউন্সিল আইন-২০১৮ বাস্তবায়নের দাবি চট্টগ্রাম আকমাল আলী রোডস্থ খালপাড় এলাকায় ওসমানের জুয়া ও মাদকের নতুন ঘরে চসিকের উচ্ছেদ অভিযান গল্লামারি-বটিয়াঘাটা সড়কের বেহাল দশা, দুর্ভোগে হাজারো মানুষ পাইকগাছায় সাবেক ছাত্রলীগ সভাপতি আবুল কালাম আজাদ গ্রেপ্তার লায়ন্স ক্লাব অব চিটাগং ইউনাইটেড এবং লিও ক্লাব অব চিটাগং ইউনাইটেড স্টারস এর জমকালো আয়োজন শহীদ জিয়া আন্তঃস্কুল ফুটবলের ১৬ রাউন্ডে উত্তীর্ণ হয়েছে হা:বেগমজান, মাহমুদুন্নবী চৌধুরী, পাঠানটুলী ও পতেঙ্গা উচ্চ বিদ্যালয় সরকার দেশে সংকট তৈরি করেছে গণভোট রায় বাস্তবায়নে টালবাহানা: চট্টগ্রামে জামায়াতে আমির লংমার্চকে স্বাগত জানিয়ে গণমিছিল করেছে দক্ষিণ হালিশহর ওয়ার্ড জামায়াতে ইসলামী

গল্লামারি-বটিয়াঘাটা সড়কের বেহাল দশা, দুর্ভোগে হাজারো মানুষ

প্রতিনিধির নাম / ২৯ Time View
Update : মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

মোঃ আতিকুর গোলদার, খুলনাঃ-

খুলনার অন্যতম ব্যস্ততম এলাকা গল্লামারি। শহরের সঙ্গে বটিয়াঘাটা ও আশপাশের এলাকার যোগাযোগের গুরুত্বপূর্ণ এই সড়কটি দীর্ঘদিন ধরে বেহাল অবস্থায় পড়ে আছে। খানাখন্দ, ভাঙাচোরা ও ঝুঁকিপূর্ণ সড়কে প্রতিদিনই চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন পথচারী, শিক্ষার্থী, যাত্রী ও যানবাহন চালকরা।

গল্লামারি থেকে বটিয়াঘাটার দিকে যাওয়ার এই প্রধান সড়কটি অনেক বছর ধরেই চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। সামান্য বৃষ্টি হলেই সড়কের বিভিন্ন অংশে পানি জমে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে ওঠে। বড় বড় গর্ত এড়িয়ে যানবাহন চলাচল করতে গিয়ে প্রায়ই তৈরি হচ্ছে দুর্ঘটনার ঝুঁকি।

স্থানীয়দের অভিযোগ, গুরুত্বপূর্ণ এই সড়ক দিয়ে প্রতিদিন বিপুলসংখ্যক মানুষ খুলনা শহর, বটিয়াঘাটা ও আশপাশের এলাকায় যাতায়াত করেন। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে সড়কটির সংস্কার না হওয়ায় দুর্ভোগ যেন নিত্যসঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিশেষ করে মোটরসাইকেল ও ইজিবাইক চালকদের ঝুঁকি সবচেয়ে বেশি।

একজন স্থানীয় বাসিন্দা বলেন, “এই রাস্তা দিয়ে চলাচল করা যেন এক আজন্ম পাপের মতো। প্রতিদিনই ভয় নিয়ে চলতে হয়—কখন দুর্ঘটনা ঘটে, বলা যায় না।”

স্থানীয়দের ভাষ্য, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বিভিন্ন সময় সড়কটি পরিদর্শন করলেও স্থায়ী কোনো সমাধান হয়নি। ফলে ক্ষোভ ও হতাশা বাড়ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে।

গল্লামারি একটি গুরুত্বপূর্ণ সংযোগস্থল হওয়ায় এখানকার সড়কব্যবস্থা স্বাভাবিক রাখা অত্যন্ত জরুরি। দ্রুত কার্যকর উদ্যোগ নিয়ে সড়কটি সংস্কার ও নিরাপদ চলাচলের উপযোগী করার দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা।

এখন সাধারণ মানুষের একটাই প্রশ্ন—আর কতদিন এই দুর্ভোগ? কবে হবে গল্লামারি-বটিয়াঘাটা সড়কের এই বেহাল দশার অবসান? কবে মিলবে এই ‘পাপ’ থেকে মুক্তি?


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd