• সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ০৫:২৬ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ
চর বিশ্বাস ইউনিয়নের আগামীর ভাবনা: চেয়ারম্যান প্রার্থী আলহাজ্ব আমজাদ হোসেন গাজীকে ঘিরে প্রত্যাশা আলিমে সাফল্যের শীর্ষে দারুননাজাত সিদ্দিকিয়া কামিল মাদ্রাসা, জিপিএ-৫ পেয়েছে ৫৯২ শিক্ষার্থী খাদ্যমন্ত্রী আফরোজা খানম রিতার পক্ষে অসহায় পরিবারের পাশে ইয়ুথ ড্রিম, খাদ্যসামগ্রী ও শিক্ষা উপকরণ বিতরণ সাংবাদিক আজমির হোসেন তালুকদারের বাসায় প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্য বিষয়ক বিশেষ সহকারী ডা. জিয়াউদ্দিন হায়দার সাংবাদিকদের নিয়ে চিকিৎসকের অবমাননাকর মন্তব্যের প্রতিবাদ বিএমএসএফের সিআইডি পুলিশের স্ত্রীর মামলায় বিএমএসএফের আইনজীবীরা ৩ সাংবাদিকের জামিন দেশে পরিকল্পিত সন্ত্রাস ও নৈরাজ্যের মাধ্যমে অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্র করলে জবাব দিবে বিএনপি: ইসরাফিল খসরু নেত্রকোনায় সাংবাদিক আলিফকে গুলি করে হত্যা শোক ও প্রতিবাদ: বিএমএসএফের মা ইলিশ সংরক্ষণে বিভিন্ন সমূদ্র উপকূল সাগরে নৌবাহিনীর অভিযান অব্যাহত খাদ্য সংরক্ষণে সক্ষমতা বাড়ানোর আহ্বান খাদ্যমন্ত্রী: আফরোজা খানম এমপি 

মানসিক নির্যাতন, বহুবিবাহ ও ব্যাংক জালিয়াতির মামলার অভিযোগ মিজানুর রহমানের বিরুদ্ধে

প্রতিনিধির নাম / ৮৯ Time View
Update : সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

১৩৬

বিশেষ প্রতিবেদন, চট্টগ্রামঃ

মিজানুর রহমানের জীবনে এ যেন বিবাহের নামে ছোট বেলার পুতুল খেলা। তবে এই অভিযোগ পুতুল খেলা কে হার মানিয়েছে।

চাঁদপুরের বাসিন্দা, বর্তমানে ইপিজেড আকমল আলী রোডস্থ হোয়াইট হাউস সংলগ্ন প্রতারক,ভন্ড ও বহু বিবাহের জনক মিজানুর রহমান মিজান ( টাকলা মিজান)।
গার্মেন্টস শ্রমিক ও একজন মজলুম, অসহায় নারী রিজিয়া বেগম (২৯) সংবাদ মাধ্যমে অভিযোগ করে বলেন যে, তার স্বামী মিজানুর রহমান তাকে না জানিয়ে পূর্বে একটি সহ আরো ৩ টি এবং তাকে সহ মোট ৫ টি বিবাহ করে।
তবে আকমল আলী রোড ও পতেঙ্গা – বন্দর এলাকায় বিশ্বস্ত লোক মারফত জানা গেছে মিজানুর রহমান এই পর্যন্ত বিভিন্ন প্রলোভন দেখিয়ে গরীব অসহায় পরিবারের গার্মেন্ট শ্রমিক অথবা বাসার কাজের মেয়েদের বিবাহের নামে অনৈতিক সম্পর্ক করে কিছু দিন পর অনৈতিক তালাক নোটিশ, কিংবা আইনী পত্র প্রদান করে চরম নির্যাতন ও মানসিক চাপ দিয়ে ছেড়ে দেয়।এর পর মাস দুয়েক পর আবার নতুন করে সংসার পাতে।
অসহায় নারী রিজিয়া বেগম আরো অভিযোগ করেন যে, মিজানের সাথে তার ১০ বছরের সংসারে ২ দুটি জমজ পুত্র সন্তান রয়েছে। সন্তান দুটি জোর পূর্বক তার দেশের বাড়িতে কার কাছে রেখেছেন তা জানতে চাইলে তাকে গত কিছুদিন পূর্বে আকমল আলী রোডস্থ স্বামীর বাসায় (মিজানের নিজস্ব) ভবনের তৃতীয় তলায় জিম্মি করে বেদম প্রহার করা হয়েছে বলে জানান, এর সত্যতা নিশ্চিত করেছেন চমেক হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসকের ব্যবস্থাপত্র ও হাসপাতালের ভর্তির ছাড়পত্রে।

এছাড়াও এই প্রতারক চক্রের সদস্য মিজান টাকলা মাথায় (নকল চুল) লাগিয়ে বিভিন্ন স্থানে মিথ্যার আশ্রয় নিয়ে কয়েকটি ব্যাংক ঋণ জালিয়াতি, চেক মামলা এবং গার্মেন্টস শ্রমিক (স্ত্রী-রিজিয়া বেগম) এর ধারের ৩ লাখ, স্বর্ণ বন্ধকের ২ লাখ টাকা সহ আইএফএ আইসিসি ব্যাংকের ১ কোটি টাকা ঋণ জালিয়াতি করে রিজিয়া বেগম কে ফাঁসানোর চেষ্টা অব্যাহত রেখেছেন বলে জানিয়েছেন। এই ঋণ ২০১৮ সালের মার্চ মাসের মাঝামাঝি সময়ে দিয়েছেন বলে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন।

শুধু তাই নহে, মিজানুর রহমান কে ২০২৪ সালে গ্যাসের চুলা অবৈধ স্থাপনা মামলা থেকে বাঁচাতে স্ত্রী রিজিয়া তার বোন থেকে প্রায় ৫ লাখ টাকা ধার এনে দেয়, যা ফেরত চেয়ে নির্যাতনের শিকার হচ্ছেন বলে জানিয়েছেন এই অসহায় মজলুম নারী শ্রমিক রিজিয়া বেগম। স্বামীর এহেন জুলুম নির্যাতন ও হত্যা কান্ড থেকে বাঁচতে নিকটস্থ আত্মীয় স্বজন এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সমন্বয়ে পরমর্শ মোতাবেক মিজানের বিরুদ্ধে নারী শিশু নির্যাতন দমন আইনে ১৭/২৬ নং মূলে ইপিজেড থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই (শাহিন) আকমল আলী রোডস্থ হোয়াইট হাউস সংলগ্ন আমার স্বামী মিজানুর রহমানের মিজানের বাসায় গেলে বাড়ির ইনচার্জ, দারোয়ান ও অন্যান্য ২/৩ লোক মিলে আমার উপর চড়াও হয় এবং বাড়ির ইনচার্জ তার গোপন অঙ্গে হাত দিয়ে চেপে ধরে শ্লীলতাহানি চেষ্টা করেও বলেন। তাঁর আত্ম চিৎকারে আশপাশের লোকজন প্রতিবেশীরা এসে সেই দিন রিজিয়া বেগমকে বাঁচিয়েছেন বলেও গণমাধ্যমে জানিয়েছেন।
মিজান ইতিমধ্যে স্ত্রী রিজিয়া বেগম কে ফাঁসানোর জন্য বিভিন্ন অনলাইন গণমাধ্যম ও সংবাদ পত্রে মিথ্যা সংবাদ প্রকাশ করেছেন, যার জন্যেও নারী শ্রমিক রিজিয়া বেগম ঐ প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ জানিয়েছেন।

আজকের এই সংবাদ মাধ্যমে জানিয়েছেন, এই ভন্ড প্রতারক চক্রের সদস্য এবং অপরাধ জগতের স্বক্রিয় সদস্য, জালিয়াতি ও ব্যাংক ঋণ সংক্রান্ত জালিয়াতি চক্রের অন্যতম গ্যাং মিজানুর রহমান মিজান (টাকলা মিজান) কে দ্রুত আইনের আওতায় এনে কঠোর শাস্তির দাবি সহ আমার সন্তানদের ফিরে দিতে উচ্চ প্রশাসনের আশু দৃষ্টি আকর্ষণ করছি বলে জানিয়েছেন।

সেই সাথে আমাকে তার জিম্মি দশা থেকে স্ব-সম্মানে মুক্তি সহ-বাসাবাড়িতে গ্যাস- বিদ্যুৎ ও পানি সরবরাহ সহ নিশ্চিত করতে বিশেষ ভাবে অনুরোধ জানিয়েছেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd