• বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬, ০৯:০৯ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ
চট্টগ্রামে বিডিএ-বিএসসি ও ডিপ্লোমা দন্ত চিকিৎসকদের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত ইপিজেড এলাকায় চসিকের ফুটপাত দখলমুক্ত জোরালো উচ্ছেদ অভিযান অব্যাহত আনোয়ারা চায়না ইকোনমিক জোনে এক বিলিয়ন ডলারের বেশি বিনিয়োগ: অর্থমন্ত্রী সেবাবান্ধব পুলিশ গঠনে সিএমপির ইন-সার্ভিস ট্রেনিং সেন্টারে প্রশিক্ষণ কার্যক্রমের উদ্বোধন কুয়াকাটায় সন্ত্রাসী হামলার শিকার বাচ্চুর পাশে সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধ কমিটি সাংবাদিক শফিকের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার ও নিঃশর্ত মুক্তির দাবিতে ইউনাইটেড প্রেসক্লাব চট্টগ্রাম উদ্যোগে মানববন্ধন চট্টগ্রাম ইপিজেডে চীনা নাগরিকের চুরি হওয়া ডলার ও মালামাল উদ্ধার করেছে পুলিশ চট্টগ্রাম দেওয়ান হাট এলাকায় ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও জলাবদ্ধতা নিরসনের দাবিতে মানববন্ধন কর্মসূচি বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরাম ছাতক উপজেলা কমিটি গঠন জুলাই বিপ্লবে শহীদদের স্মরণে চট্টগ্রাম নগর জামায়াতের দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

ইউনিভার্সেল হেলথ কেয়ার নিশ্চিতে বাজেটে অতিরিক্ত বরাদ্দ রাখা হবে- অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী

প্রতিনিধির নাম / ২০২ Time View
Update : রবিবার, ১৭ মে, ২০২৬

৩৮০

বিশেষ প্রতিবেদন, চট্টগ্রামঃ-

অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, সরকার ঘোষিত ইউনিভার্সেল হেলথ কেয়ার নিশ্চিত করার জন্য আগামী বাজেটে স্বাস্থ্যখাতে অতিরিক্ত বরাদ্দ রাখা হবে। বরাদ্দের টাকার সুষ্ঠু ও কার্যকর ব্যবহার নিশ্চিত করার জন্য সকলকে সম্মিলিত ও আন্তরিকভাবে কাজ করতে হবে।
তিনি বলেন, সরকারি হাসপাতালগুলোর স্থান সংকুলান অপ্রতুল ও নানাবিধ সীমাবদ্ধতার কারনে অনেক সময় ক্রমবর্ধমান রোগীর চাপ সামলাথে হিমশিম খেতে হয়। ফলে দরিদ্র ও অসহায় রোগীরা সঠিক চিকিৎসা সেবা প্রাপ্তি থেকে বঞ্চিত হয়। তাই সরকার চিন্তা করছে এ সমস্যা সমাধানে বেসরকারি হাসপাতালগুলোকে কাজে লাগানো হবে। এর আওতায় রোগীর চিকিৎসা করবে বেসরকারি হাসপাতাল, বিল পরিশোধ করবে সরকার।

অর্থমন্ত্রী গতকাল, ১৬ মে চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতাল মেডিকেল কলেজের ১৮ তলা নতুন একাডেমিক ভবনের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপনকালে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন।

চিকিৎসা সেবায় চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতাল রেটিং এর দিক দিয়ে ২য় অবস্থানে থাকার কথা শুনে মন্ত্রী সন্তোষ প্রকাশ করে তা ধরে রাখা ও ক্রমান্বয়ে আরো উন্নতির পরামর্শ দেন। মেডিকেল কলেজ মানহীন হলে তার প্রভাব পুরো জাতিকে বহন করতে হয় উল্লেখ করে তিনি বলেন, মানসম্মত স্বাস্থ্য সেবা ও শিক্ষা নিশ্চিতের জন্য কোন কিছুর সাথে আপোষ করা যাবে না, ব্যক্তিগত প্রভাব বা রাজনৈতিক তদবিরে কান দেয়া যাবে না। সর্বাগ্রে রোগীদের কল্যাণের কথা চিন্তা করতে হবে।

নতুন ভবনে বিভিন্ন বিভাগ ও সেবার কথা শুনে তিনি বলেন, পার্কিং এর পরিমাণ বাড়াতে হবে, ন্যুনতম ২০০টির বেশি গাড়ি পার্কিং এর ব্যবস্থা রাখতে হবে, নইলে পুরো এলাকা যানজটের কবলে পড়বে। তাছাড়া পর্যাপ্ত পরিমান ও হাইজেনিক ক্যাফেটেরিয়া, সুপরিসর অডিটরিয়াম, লাইব্রেরি ও ই-লাইব্রেরি, মাল্টি-মিডিয়া শ্রেণিকক্ষ প্রভৃতির ব্যবস্থা রাখতে হবে। তাহলে এ হাসপাতাল স্বাস্থ্যসেবায় আরো একধাপ এগিয়ে যাবে। হাসপাতালের জন্য এমআরআই মেশিন, সরকারি বরাদ্দ বৃদ্ধি, আসন সংখ্যা বৃদ্ধিসহ বিভিন্ন দাবির কথা শুনে অর্থমন্ত্রী বলেন, অতীতে জনগণের টাকা দুর্নীতিতে অপচয় হয়েছে। বিদ্যুৎ খাতের বকেয়া পরিশোধ করতে আমাদের অনেক অর্থ খরচ হয়ে গেছে। তবে আমরা ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করছি। আশা করছি আগামী দু’বছরের মধ্যে সবখাত ঘুরে দাঁড়াবে। এ হাসপাতালের জন্যও বরাদ্দ বৃদ্ধির জন্য সরকারি প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে। এ হাসপাতালে মেডিকেল টেকনোলজিস্ট তৈরির জন্য ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠার উপর মন্ত্রী জোর দেন এবং বলেন, ছাত্র-ছাত্রী ভর্তির আসন সংখ্যা বৃদ্ধি করতে হলে ছাত্র-শিক্ষক অনুপাত ঠিক রাখতে হবে।
মানসম্মত শিক্ষা ও অনুপাত নিশ্চিত না করে আসন বৃদ্ধি করলে তা কোন কাজে আসবে না।
পরে তিনি বোতাম টিপে নতুন ভবনের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করেন।
উল্লেখ্য, অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী ছিলেন এ হাসপাতালের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি। তাঁর প্রচেষ্টায় বিগত ২০০৫ সালে বেগম জিয়ার সরকার থাকার সময় নামমাত্র মূল্যে এ হাসপাতালের জন্য সরকার চার একরের অধিক জমি দান করে।
হাসপাতাল পরিচালনা পর্ষদ আজ বেগম জিয়া ও তাঁর সরকারের জনকল্যাণমূলক এ দানের জন্য গভীর কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন।

পরিচালনা পর্ষদ সভাপতি সৈয়দ মোরশেদ হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর অসীম বড়ুয়া, পর্ষদের সাধারণ সম্পাদক রেজাউল করিম আজাদ ও ডেভেলপমেন্ট কমিটির চেয়ারম্যান আবদুল মান্নান রানা , হাজী মোঃ জাহিদুল হাসান বক্তব্য রাখেন।

পরে অর্থমন্ত্রী আগ্রাবাদ মহিলা কলেজে কৃতি শিক্ষার্থী সংবর্ধনা, বার্ষিক পুরস্কার বিতরণ, নবীন বরণ ও বিদায় সংবর্ধনায় প্রধান অতিথির বক্তৃতা করেন। এখানে বক্তৃতায় তিনি ছাত্রীদের উদ্দেশে বলেন, আইটি ভিত্তিক শিক্ষা অর্জন করতে হবে, সকলের ডিজিটাল এক্সেস থাকতে হবে, ডিজিটাল ওয়ার্ল্ডে যুক্ত থাকতে হবে। না হলে সবাই পিছিয়ে পড়বে।
কলেজটি জাতীয়করণসহ অবকাঠামোগত সমস্যা সমাধানের আশ্বাস দিয়ে তিনি বলেন, গতানুগতিক ধারায় না চলে আমাদেরকে পরিবর্তনের ধারায় চলতে হবে। বিনা কারনে ঘন্টার পর ঘন্টা বসে থাকা ও রাখার সংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে আসতে হবে।

চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর আবদুল্লাহ আল মামুন চৌধুরী, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের পরিচালক প্রফেসর মো. ফজলুল কাদের চৌধুরী, পরিচালনা পর্ষদ সভাপতি মো. মফিজুল হক ও কলেজ অধ্যক্ষ অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd