• শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৬:০৮ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ
খুলনা মফস্বল প্রেসক্লাব সহ-সভাপতি মারুফা বেগমের ভাগ্নের মৃত্যুতে খুলনা মফস্বল প্রেসক্লাবের শোক খুলনায় হাসপাতালে ভর্তি ৪৪৯ জন ও ভর্তি বিভাগে ডেঙ্গুতে মৃত ৩৪, সন্দেহজনক হাম সনাক্ত ৪২ মানসিক নির্যাতন, বহুবিবাহ ও ব্যাংক জালিয়াতির মামলার অভিযোগ মিজানুর রহমানের বিরুদ্ধে ডেঙ্গু/হাম/টাইফয়েডে দিশেহারা চট্টগ্রাম ইপিজেড-পতেঙ্গার স্থানীয়রা ও গার্মেন্টস শ্রমিকেরা শহীদ জিয়া ও খালেদা জিয়া স্মৃতি আন্তঃ স্কুল ফুটবলঃ কোয়াটার ফাইনালে মাইজপাড়া মাহমুদুন্নবী ও পাঠানটুলী শরণখোলার উন্নয়ন, সম্প্রীতি ও গণমানুষের অধিকার আদায়ে অদম্য অগ্রপথিক মানিক ফিজিওথেরাপি সেবার মানোন্নয়ন ও বাংলাদেশ রিহ্যাবিলিটেশন কাউন্সিল আইন-২০১৮ বাস্তবায়নের দাবি চট্টগ্রাম আকমাল আলী রোডস্থ খালপাড় এলাকায় ওসমানের জুয়া ও মাদকের নতুন ঘরে চসিকের উচ্ছেদ অভিযান গল্লামারি-বটিয়াঘাটা সড়কের বেহাল দশা, দুর্ভোগে হাজারো মানুষ পাইকগাছায় সাবেক ছাত্রলীগ সভাপতি আবুল কালাম আজাদ গ্রেপ্তার

পল্লী বিদ্যুৎ দক্ষিণ দীপ অঞ্চলের হতদরিদ্র পরিবার ও বৃদ্ধ বাবা-মায়ের জন্য অভিশাপ

প্রতিনিধির নাম / ৩০৭ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ২১ মে, ২০২৬

৪৯২

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ-

গলাচিপা উপজেলা থেকে বিচ্ছিন্ন দীপ চর বিশ্বাস ও চর কাজল ইউনিয়ন। বিগত সরকারের আমলে চরবাসী পল্লী বিদ্যুৎ সংযোগ পেয়ে আলোকিত হয় উপকূল। পল্লী বিদ্যুৎ সংযোগের পর থেকে নানা অনিয়ম ও অভিযোগের শেষ নেই। সহজ সরল মানুষ গুলো মাসের পর মাস ঠিক মত বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ করলেও সঠিকভাবে বিদ্যুৎ ব্যবহার করতে পারে না গ্রাহকেরা। মেঘলা আকাশ দেখার সাথে সাথে বিদ্যুৎ সংযোগ বিছিন্ন হয়ে যায় ৩-১৫ দিনের জন্য। বর্তমানে দেশের তাপমাত্রা বেশি হওয়ায় বিদ্যুৎ সংযোগ বিছিন্ন থাকে ঘন্টার পর ঘন্টা। দিনে ২৪ ঘন্টার মধ্যে গড়ে ৩-৪ ঘন্টা বিদ্যুৎ পায়না চর অঞ্চলের সহজ সরল মানুষ গুলো। তীব্র গরমে অতিষ্ঠ হয়ে জনমনে নানান ক্ষোভ প্রকাশ করেন গ্রাহকেরা। তীব্র গরমের কারণে বৃদ্ধ বাবা-মা ও শিশু- কিশোর কাতরাচ্ছে ঘরের মেঝেতে। স্কুল কলেজের শিক্ষার্থীদের সমস্যা হচ্ছে পড়া লেখায়। এ যেন দেখার মতো কেউ নেই। বৃদ্ধ বাবা-মা ও শিশু- কিশোর আক্রান্ত হচ্ছে বিভিন্ন রোগে। তীব্র গরমের কারণে শ্বাস-কষ্ট, ডায়রিয়া, কলেরা ও বিভিন্ন চর্ম রোগে আক্রান্ত হচ্ছে ছোট বড় সকলে। স্থানীয় কর্তৃপক্ষের কাছে এ বিষয় জানতে চাইলে তারা বলেন, আমাদের জোনাল অফিস থেকে যে নির্দেশনা দেওয়া হয় সে অনুযায়ী আমরা বিদ্যুৎ সরবরাহ করে থাকি। আমারা চাইলেও অতিরিক্ত বিদ্যুৎ সরবরাহ করতে পারি না।

স্থানীয় জনগণ জানান, তারা যে বিদ্যুৎ সরবরাহ করেন এটা আমাদের জন্য যথেষ্ট না। এরকম বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়া কোন প্রয়োজন নেই। আমরা দিনে ২-৩ ঘন্টা বিদ্যুৎ পাই। এটা কোন ধরনের বিদ্যুৎ সরবরাহ। দিনে কম করে ১৫-১৬ ঘন্টা বিদ্যুৎ সরবরাহ না থাকলে আমাদের বৃদ্ধ বাবা-মা, শিশু ও শিক্ষার্থীরা কি ভাবে চলবে। তীব্র গরমের কারণে বৃদ্ধ বাবা-মায়েরা শ্বাস কষ্টে ভুগছেন। ছোট শিশু গুলো বিভিন্ন চর্মরোগে আক্রান্ত হচ্ছে। স্কুল কলেজের শিক্ষার্থীরা ঠিক মত পড়া লেখা করতে পারছে না।

অন্য আরেক ভুক্তভোগী বলেন, পল্লী বিদ্যুৎ আমাদের চরের মানুষের জন্য এখন অভিশাপ হয়ে দাড়িয়েছে। ঠিক মত বিদ্যুৎ পাইনা। মাস শেষে বিল নিয়ে যায় সুন্দর করে। আমার ঘরে ছোট একটি ফ্রিজ ও ছোট দুইটি জালি ফ্যান ব্যবহার করি। মাস শেষে ৩০০-৪০০ টাকা বিল আসে। অথচ বিদ্যুৎ থাকেনা দিনে ১৮-২০ ঘন্টা। এ কেমন অবস্থা সেবা না দিয়ে নিয়ে যাচ্ছে লক্ষ লক্ষ টাকা।

তিনি আরও কান্না কণ্ঠে বলেন, আমার বাবা হার্ট অ্যাটাক ও অ্যাজমা আক্রান্ত মানুষ। বিদ্যুৎ সংযোগ থাকলে সময় মতো নেবুলাইজার ও ফ্যান চালিয়ে রাখলে একটু ভালো থাকে। এখন যে পরিস্থিতি বিদ্যুৎতের কারণে না দিতে পারি সময় মতো নেবুলাইজার না দিতে পারি ফ্যানের বাতাস। এই গরমে প্রায় অসুস্থ হয়ে পড়ে শুধু তাকিয়ে থাকি বিদ্যুৎতের অপেক্ষায়। আমাদের এখানে ভালো একটি হাসপাতাল নেই যে, অসুস্থ রুগী নিয়ে দ্রুত সেবা দিবে। অক্সিজেন ও নেবুলাইজার প্রয়োজন হলে আমরা হতাশ হয়ে যাই।

উপকূলীয় জনপদের সর্বস্তরের জনসাধারণের দাবি, বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষের কাছে সঠিক মত বিদ্যুৎ সরবরাহ করে চর অঞ্চলের সহজ সরল মানুষ গুলোকে উপকৃত করবে।

তারা আরও বলেন, আমাদের স্নেহের সন্তান প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুরের কাছে জোর দাবি, প্রয়োজন অনুযায়ী বিদ্যুৎ সরবরাহ, আধুনিক হাসপাতাল ও যোগাযোগ ব্যবস্থা দ্রুত বাস্তবায়ন করলে চরের মানুষ উপকৃত হবে এবং আপনার কাছে চিরকৃতজ্ঞ থাকবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd