নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রামঃ-
চট্টগ্রাম দেশের অর্থনীতির হৃদস্পন্দন। বন্দর, ইপিজেড, পতেঙ্গা, কাটগড়, ফৌজদারহাট, কর্ণফুলী টানেল ও শিল্পাঞ্চলকে ঘিরে প্রতিদিন হাজার হাজার কন্টেইনারবাহী লরি চলাচল করে। অথচ দিন দিন বেড়েই চলেছে কন্টেইনার লরি দুর্ঘটনা। প্রাণ হারাচ্ছেন সাধারণ মানুষ, পঙ্গুত্ব বরণ করছেন বহু মানুষ, ধ্বংস হচ্ছে অসংখ্য পরিবারের স্বপ্ন।
প্রশ্ন হলো—চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন, সিডিএ, বন্দর কর্তৃপক্ষ, বিআরটিএ, সড়ক ও জনপথ বিভাগ এবং সড়ক পরিবহন মন্ত্রণালয় কী করছে?
প্রতিটি দুর্ঘটনার পর আমরা শোক প্রকাশ দেখি, তদন্ত কমিটি দেখি, আশ্বাস শুনি। কিন্তু বাস্তবে পরিবর্তন কোথায়?
একটি কন্টেইনার সঠিকভাবে লক করা হয়েছে কিনা, চেসিস নিরাপদ কিনা, চালক প্রশিক্ষিত কিনা, যানবাহন চলাচলের উপযুক্ত কিনা—এসব তদারকি করার দায়িত্ব কার? দুর্ঘটনা ঘটার পর দায় চাপানোর লোকের অভাব হয় না, কিন্তু দুর্ঘটনা প্রতিরোধে কার্যকর উদ্যোগ চোখে পড়ে না।
সরকার আসবে, সরকার যাবে। মেয়র পরিবর্তন হবে। নতুন সিডিএ চেয়ারম্যান নিয়োগ হবে। কর্মকর্তা বদলি হবেন। কিন্তু চট্টগ্রামের মানুষ কি প্রতিদিন মৃত্যুর ঝুঁকি নিয়ে রাস্তায় চলাচল করবে?
সাধারণ জনগণের নতুন সিডিএ চেয়ারম্যানের কাছে বিনীত কিন্তু দৃঢ় আহ্বান—চট্টগ্রামের কন্টেইনার পরিবহন ব্যবস্থাকে নিরাপদ করা এখন বিলাসিতা নয়, এটি আপনাদের অন্যতম প্রধান দায়িত্ব।