নিজস্ব প্রতিবেদকঃ-
খুলনার কয়রা উপজেলার উত্তর বেদকাশী কলেজিয়েট স্কুলের কম্পিউটার ও ল্যাব সহকারী শিক্ষক আয়ুব আলী এখন হরিণের মাংস বিক্রির মাস্টার মাইন্ড ও গড ফাদার। লেভেল দেখানো এই মাস্টার মাইন্ড ল্যাব সহকারী আয়ূব আলী এখন এলাকার দূর্নীতিতে ধরা- ছোওয়ার বাহিরে।
এলাকার কিশোর গ্যাঙ সহ দুস্কৃতি লোকদের সম্পৃক্ততা গড়ে তুলেছেন বন্যপ্রাণী হরিণ শিখার সহ নানাবিদ পাখি শিখার নামে অবৈধ কার্যকলাপ। তার এরই ধারাবাহিকতা শুরু করেন দেশের বিভিন্ন জেলায় হরিণের মাংস পাচার সহ তার বাবার অবৈধ জালের ফাঁদ দিয়ে ধরা বিভিন্ন প্রজাতির পশু ও পাখির অবৈধ ব্যবসা।
এলাকার বিশেষ সুত্রে উঠে আসে, মাস্টার মাইন্ড এই আয়ুব আলীর গোপন চোরা-চালান সহ হরিণের মাংস বিক্রিতার ফোন আলাপ। আরো উঠে আসে তার ব্যাবহারিত স্মার্ট ফোনের গোপন ফোন আলাপ সহ
হয়ার্টসএ্যাপে লিখিত প্রমানাদি। কু-রু-চি-পূ-র্ন কি-র্তি -কা-লা-প ও স্কুলের নিয়োগ বানিজ্য দূর্নীতির বিশেষ অভিযোগ।
অভিযোগ অনুযায়ী, বগুড়ার বাসিন্দা হেলাল হোসেন ও তার ভ্রমন সঙ্গীরা গত বছর খুলনার উত্তর বেদকাশী কাট কাটা সুন্দরবন এলাকায় বেড়াতে এসে আইয়ুব আলীর সঙ্গে পরিচিত হয়। সে সময় হরিণের মাংসের বিষয়ে কথা বার্তা হলে, আইয়ুব আলী তাদেরকে হরিণের মাংস দেওয়ার কথা বলেন।
কিছু দিন পর আইয়ুব আলী নিজেই যোগাযোগ করে হরিণের মাংস ব্যবস্থা হয়েছে বলে দাবি ও নিশ্চিত করেন। তার কথায় বিশ্বাস করে সফর সঙ্গী হেলাল ১৫-১৬ জন মিলে ধারা বাহিকতায় ৪০ (চল্লিশ) হাজার টাকা আইয়ুব আলীর বিকাশ ও নগদ নাম্বারে পাঠিয়ে দেন।
মাংস না পেয়ে হেলাল হোসেন মান সম্মান টুকু বাঁচাতে টাকা ফেরত চাহিলে, আইয়ুব আলী আজ না কাল না পরশু এভাবে কাল ক্ষেপন করেন, বলে জানা যায়।
এই মাস্টার মাইন্ড আইয়ুব আলীর বিরুদ্ধে বিগত দিনে তার কোচিং সেন্টারে স্কুল ছাত্রী দের নিয়ে বিভিন্ন অনৈতিক কার্যকলাপ, স্কুল পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁস, স্কুলে নিয়োগ বানিজ্য সহ অনেক দূর্নীতি এমন কি – কয়রা থানায় মুচলিকা দেওয়ারও অভিযোগ রয়েছে বলে জানা যায়।
এ বিষয়ে প্রশাসনের উর্দ্ধোতন কর্মকর্তা ও বন্য প্রানী নিধন, ও অবৈধ বন্য প্রানী শিখার খুলনা রেঞ্জ ফরেস্টের উর্দ্ধোতন কর্মকর্তার সাথে কথা বললে, দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা নিবে বলে আশ্বাস প্রদান করেন গন-মাধ্যম কে।